নিচে সহজভাবে এর কারণগুলো বর্ণনা করা হলো:
১. কেন একে ভেষজের রাজা বলা হয়?
ঐতিহাসিক গুরুত্ব: প্রাচীন চীন ও জাপানে একে অমরত্বের ঔষধি বলা হতো। হাজার বছর ধরে এটি রাজপরিবারের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ুর জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
সর্বগুণ সম্পন্ন: এটি এমন একটি ভেষজ যা শরীরের কোনো নির্দিষ্ট অঙ্গের জন্য নয়, বরং পুরো শরীরের কোষগুলোকে পুনর্গঠন (Regeneration) করতে কাজ করে।
২. গ্যানোডার্মার প্রধান কার্যকরী উপাদান
গ্যানোডার্মাতে ৪০০-এর বেশি সক্রিয় পুষ্টি উপাদান রয়েছে, যার মধ্যে প্রধান হলো:
পলিস্যাকারাইডস: এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে।
অর্গানিক জার্মেনিয়াম: এটি রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, যা আপনার মতো যারা পাহাড় চড়েন বা দৌড়ান, তাদের স্ট্যামিনা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
ট্রাইটারপেনয়েডস: এটি অ্যালার্জি কমাতে এবং হজম প্রক্রিয়া উন্নত করতে দারুণ কার্যকর।
অ্যাডেনোসিন: এটি শরীরের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে এবং রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে।
৩. এটি শরীরে কীভাবে কাজ করে? (৪টি ধাপ)
গ্যানোডার্মা শরীরে প্রবেশের পর ৪টি বৈজ্ঞানিক ধাপে কাজ করে:
স্ক্যানিং (Scanning): এটি শরীরের ভেতরে কোথায় কী সমস্যা বা টক্সিন আছে তা খুঁজে বের করে। আপনার সর্দি বা অ্যালার্জি কোথায় লুকিয়ে আছে তা এটি শনাক্ত করে।
ডিটক্সিফিকেশন (Detoxification): শরীর থেকে জমে থাকা টক্সিন, ইউরিক অ্যাসিড ও ল্যাকটিক অ্যাসিড বের করে দেয়।
রেগুলেটিং (Regulating): শরীরের ভারসাম্যহীন হরমোন বা অঙ্গগুলোর কার্যকারিতা স্বাভাবিক করে।
বিল্ডিং (Building): ক্ষতিগ্রস্ত কোষ মেরামত করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্থায়ীভাবে মজবুত করে।
৪. ডিএক্সএন (DXN) ও গ্যানোডার্মা
ডিএক্সএন-এর প্রতিষ্ঠাতা ডঃ লিম সিও জিন ১০ বছর নিরলস গবেষণার পর বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ৬টি গ্যানোডার্মা মাশরুমের নির্যাস দিয়ে তাদের পণ্য তৈরি করেছেন। আপনি যে আরজি (RG) ব্যবহার করছেন, তা মূলত এই গ্যানোডার্মার নির্যাস, যা আপনা্দের ভ্যাকসিনের সাইড ইফেক্ট ও পুরোনো অ্যালার্জি পরিষ্কার করতে কাজ করে।

